কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬ এ ০১:০২ PM

মাননীয় মন্ত্রী

আহমেদ আযম খান

মাননীয় মন্ত্রী

আহমেদ আযম খান, এমপি একজন দক্ষ আইনজীবী ও অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, যিনি বাংলাদেশের আইনাঙ্গন ও জাতীয় রাজনীতিতে সমানভাবে অবদান রেখে চলেছেন। তাঁর নেতৃত্বগুণ, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পেশাগত অভিজ্ঞতা তাঁকে একটি শক্তিশালী ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি ১৪ জানুয়ারি ১৯৫৭ সালে টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলার বাসাইল গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মরহুম হাবিবুর রহমান খান ও মরহুমা বেগম সাজেদা খাতুন দম্পতির জ্যেষ্ঠ সন্তান।

পেশাগত পরিচয়

আহমেদ আযম খান, এমপি বাংলাদেশের একজন সুপরিচিত আইনজীবী এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রথিতযশা সদস্য। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইন পেশায় সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা

২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর), সংসদীয় আসন নং ১৩৭ থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি নেতৃত্ব, নীতি নির্ধারণ এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একজন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় নেতা এবং বর্তমানে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি জাতীয়তাবাদী ট্যাক্স ল’য়ার্স ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

১৯৬৭ সালে রাজনীতিতে তাঁর হাতেখড়ি । ছাত্রজীবনে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি আঞ্চলিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছিলেন । ১৯৭১ সালে তিনি আঞ্চলিক সংগঠক হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন । মুক্তিযুদ্ধের শেষ তিন মাস সামাদ কামার প্লাটুনে থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। তিনি বাসাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি ও ৩ বার আহ্বায়ক এর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন-এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

তিনি একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে শিক্ষাজীবনে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৮ সালে বি.এস.এস (অনার্স), ১৯৭৯ সালে এম.এস.এস এবং ১৯৮২ সালে এল.এল.বি ডিগ্রি অর্জন করেন।

পারিবারিক জীবন

আহমেদ আযম খানের স্ত্রী বেগম নার্গিস সিদ্দিকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি এল.এল.বি (অনার্স) ও এল.এল.এম ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিআরডিবিতে রিসার্চ অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং পরবর্তীতে উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তিনি পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হন এবং বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হন; একপর্যায়ে তাঁকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয়। তিনি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকার সাথেও কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ‘আযম খান এন্ড এসোসিয়েটস ও খান এন্ড সিদ্দিক’স এর ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক। তাঁদের মধ্যে ড. আনান হাবিবা সিদ্দিকা ও - লেভেল এবং এ -লেভেল পাশ করার পর ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টমিনিস্টার, লাঊস, ইউকে থেকে ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি বিষয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছেন। তিনি সিনেমা ও নাটকে অভিনয়, স্ক্রিপ্ট রচনা এবং ভয়েস আর্টিস্ট হিসেবেও কাজ করেন। তিনি ‘বাড়ির নাম শাহানা’ চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন; চলচ্চিত্রটি অস্কার মনোনয়নের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ব্যারিস্টার অদ্রি আফিফা সিদ্দিকা ও-লেভেল ও এ-লেভেল সম্পন্ন করার পর ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্ট মিনিস্টার থেকে অনার্স, ইউনিভার্সিটি অব কুইন মেরি থেকে মাস্টার্স এবং ইউনিভার্সিটি অব গ্রেজ ইন থেকে ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় কর্মরত আছেন।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন